বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৮:১৮ অপরাহ্ন

অনলাইন গেমসের ভয়াল থাবা গ্রাস করছে তরুণ ছাত্র-ছাত্রীদের
মোঃ নাসিরুল ইসলাম ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি / ১৭৪ ভিউ
সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২

বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও আক্রমনে পুরো পৃথিবী আতংকিত এবং মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। বহুদিন ধরে লকডাউন চলছে আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার ফলে সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয় প্রবলভাবে নেমে এসেছে দেশ ও সমাজের যুব সমাজে। PUBG, Free Fire মতো গেমস এর ভয়াবহ নেশায় জর্জরিত ও নেশাগ্রস্ত পুরো যুব সমাজ এবং Tiktok, likee রোষানলে অল্প বয়সের যুবক-যুবতী নিজেদেরকে প্রদর্শন করছে অশ্লীল ভঙ্গিতে। ভয়াবহ এসব অনলাইন মিডিয়া ও গেমস কেড়ে নিচ্ছে মেধাশক্তি এবং নৈতিকতা। এছাড়াও বিভিন্ন নেশায় জড়িয়ে পড়ছে প্রতিভাবান কোমলমতি অল্প বয়সী ছেলে-মেয়ে। আধুনিকতার ভয়াবহ কুফলের প্রভাবে শিশু,যুবক-যুবতীদের একটি বড় অংশ জড়িয়ে পড়ছে বাল্যবিবাহ, অবৈধ সম্পর্ক, হানাহানি-মারামারির মতো নানা ধরনের অপরাধে। অভিভাবক এবং এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে ভালো আচরণ তো দূরের কথা, দেখা যায় উদ্ভট ও বেপরোয়া আচরণ করতে। যা পরবর্তী সময়গুলোতে সমাজে ব্যাপক ভয়াল রুপ হিসেবে নেমে আসবে। উত্তি বয়সের এসব শিক্ষার্থী হরহামেশাই নিজেকে জড়িয়ে নিচ্ছে সমাজবিরোধী নানা কাজকর্মে। একসময়ের যে সবুজ মাঠগুলো সজ্জিত থাকতো নানা বয়সী ছেলে-মেয়েদের পদচারণায়, তা আজ পড়ে থাকে শূন্য হয়ে আধুনিক বিশ্বের অনলাইনের কুফল প্রভাবে। দর্শকের সারি আর উপস্থিত বিনোদন, প্রাণখোলা আনন্দ আজ যেন বহু অতীত। অনলাইনের এ বন্ধ অন্ধকার জগতের বেড়াজাল হতে যুব সমাজকে বের করে সবুজ মাঠে ফিরিয়ে না আনলে শারীরিক ও মানসিক বিপর্যয় কঠিনভাবে বিপর্যস্ত করবে এবং সমাজে দারুণ অবক্ষয় নেমে আসবে ভয়াবহ রুপে। প্রতিটি অভিভাবক এবং সমাজের ক্ষমতাসীন ও গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ এসব বিষয়ের একটা সুষ্ঠু সমাধান ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে অন্ধকারে ছেয়ে যাবে পুরো দেশ ও সমাজ।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
খুলনার কয়রা মসজিদকুঁড় প্রত্নতাত্ত্বিক দর্শনীয় মসজিদ শেখ খায়রুল ইসলাম পাইকগাছা খুলনা প্রতিনিধি :- মসজিদকুঁড় মসজিদ যেটি কয়রার আমাদি ইউনিয়নে অবস্থিত প্রত্নতাত্ত্বিক দর্শনীয় স্থান।মসজিদটির পাশ দিয়ে কপোতাক্ষ নদ খুব কাছেই রয়েছে সুন্দরবন।১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর মসজিদটি সম্পর্কে জানতে পারা যায়। মসজিদটিতে কোন লিপি না থাকাই এর নির্মাণ সময় সম্পর্কের সঠিক ধারণা নেই। মাটির নিচ খুঁড়ে মসজিদটি আবিষ্কৃত হয়েছে বলে একে মসজিদকুঁড় নামকরণ করা হয়। ধারণা করা হয়, খানজাহান আলীর শিষ্য বুড়া খান ও ফতেহ খান এই গ্রামে কাছারি করে এলাকা শাসন করতেন ১৪৫০-১৪৯০ সালের সময়কালে। তাঁরা এখানে একটি নয় গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন, নাম রাখেন মসজিদকুড়। ইট-সুরকির তৈরি মসজিদটি দক্ষিণ বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন প্রত্নসম্পদ৷
জনপ্রিয়
সর্বশেষ