মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১১:০৫ অপরাহ্ন

লালপুরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার দূর্নীতির প্রতিবাদে ও প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন
এস ইসলাম, নাটোর প্রতিনিধি / ১৬৭ ভিউ
সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২

নাটোরের লালপুর উপজেলার বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন উপ- সহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগের প্রতিবাদে ও প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় সেবা বন্চিত লোকজন। সূত্রে জানা যায় , লালপুর উপজেলা বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা আবু সাইদ বিভিন্ন কৌশলে সেবা প্রার্থীদের কাছ থেকে ঘুষ দাবি করেন। এতে জমির মালিকরা খাজনা খারিজ ও অন্যান্য কাজে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছে । বিভিন্ন অজুহাতে পূর্বের পরিশোধিত খাজনা রশিদ বাতিল বলে এবং মালিকানা বদলেও পূর্বপুরুষের জের ধরে নানাভাবে কৌশল অবলম্বন করে হয়রানি করছে । তার বেপরোয়া অর্থ দাবিতে সাধারণ মানুষ ফুঁসে উঠেছে । মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নাগশোষা গ্রামের জিল্লুর রহমান , চকবাদকয়া গ্রামের আশরাফ আলী , ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। বক্তারা আরো বলেন , আবু সাঈদ দুর্নীতির মামলায় জড়িত , সে এখানে যোগদানের পর থেকে অফিসে আসা সেবা প্রার্থীদের সাথে দুর্ব্যবহার ও অসৌজন্য মুলক ব্যবহার করে থাকে। এ তহশীলদার ইচ্ছা মতো লোকজনের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে , হয়রানি করছে । বিগত বছরের খাজনা পরিশোধ রয়েছে , সে রশিদ দেখানোর পরেও নানা ভাবে বুঝিয়ে অতিরিক্ত টাকা দাবি করেছে। বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আবু সাইদ মিয়াঁ তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে জানান সম্পন্ন ষড়যন্ত্রমূলক এগুলো করা হচ্ছে। মানববন্ধন শেষে বিলমাড়ীয় ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু সাইদের বিচার ও প্রত্যাহারের দাবিতে নাটোর জেলা প্রশাসক বরাবর একটি আবেদনপত্র ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নিকট হস্তান্তর করেন । এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিন্টু বলেন স্থানীয় মানুষ মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর একটি আবেদন আমার নিকট দিয়েছে , যা আমি ডিসি স্যারের কাছে পৌঁছে দিব।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category
খুলনার কয়রা মসজিদকুঁড় প্রত্নতাত্ত্বিক দর্শনীয় মসজিদ শেখ খায়রুল ইসলাম পাইকগাছা খুলনা প্রতিনিধি :- মসজিদকুঁড় মসজিদ যেটি কয়রার আমাদি ইউনিয়নে অবস্থিত প্রত্নতাত্ত্বিক দর্শনীয় স্থান।মসজিদটির পাশ দিয়ে কপোতাক্ষ নদ খুব কাছেই রয়েছে সুন্দরবন।১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর মসজিদটি সম্পর্কে জানতে পারা যায়। মসজিদটিতে কোন লিপি না থাকাই এর নির্মাণ সময় সম্পর্কের সঠিক ধারণা নেই। মাটির নিচ খুঁড়ে মসজিদটি আবিষ্কৃত হয়েছে বলে একে মসজিদকুঁড় নামকরণ করা হয়। ধারণা করা হয়, খানজাহান আলীর শিষ্য বুড়া খান ও ফতেহ খান এই গ্রামে কাছারি করে এলাকা শাসন করতেন ১৪৫০-১৪৯০ সালের সময়কালে। তাঁরা এখানে একটি নয় গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন, নাম রাখেন মসজিদকুড়। ইট-সুরকির তৈরি মসজিদটি দক্ষিণ বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন প্রত্নসম্পদ৷
জনপ্রিয়
সর্বশেষ